Official Framework
Constitution & Ethics
The governing principles and ethical parameters guiding campus media representation.
ধারা ১ : নামকরণ
এই সংগঠনের নাম ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি’ যা সংক্ষেপে ‘খুবিসাস’ এবং ইংরেজিতে ‘Khulna University Journalists’ Association’ যা সংক্ষেপে ‘KUJA’ নামে অভিহিত হবে।
ধারা ২ : প্রতীক/ লোগো
সংগঠনের প্রতীক হবে নিম্নরূপ:
ধারা ৩ : সংগঠনের কার্যালয়
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত হবে।
ধারা ৪ : লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
- বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের একটি প্রগতিশীল, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধারণ করে কাজ করা।
- সংগঠনের সদস্যদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কর্মশালা, প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা।
- রাষ্ট্রীয় আইন, সাংবাদিকতার জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক নীতিমালা, এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধিবিধান মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অর্জন, গবেষণা কার্যক্রম, সম্ভাবনা ও সমস্যা বিধি মোতাবেক অনুসন্ধানের মাধ্যমে গণমাধ্যমে যথাযথ উপস্থাপনে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
- সংগঠনের সদস্যদের নৈতিক মূল্যবোধ, সদাচার ও উত্তম চরিত্র গঠনকে প্রাধান্য দিয়ে মানবকল্যাণ, সুস্থ কর্মপরিবেশ নির্মাণ ও সভ্য সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা।
ধারা ৫ : তহবিল গঠন
- সদস্যদের চাঁদা, অনুদান ও প্রকাশনা থেকে প্রাপ্ত আয় সংগঠনের একটি bank একাউন্ট (হিসাব) অগ্রণী ব্যাংক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার হিসাবে রক্ষিত থাকবে। সংগঠনের ব্যাংক একাউন্টটি সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদকের স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
- সদস্যদের নিবন্ধন ফি ও মাসিক চাঁদা ঐ বছরের কার্যনির্বাহী কমিটির দুই-তৃতীয়াংশের সম্মতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। যা মাসিক অথবা এককালীন পরিশোধ করা যাবে।
- সংগঠনের সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকবে। অর্থ সম্পাদক যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন এবং মাসিক ও বার্ষিক সাধারণ সভায় তা পেশ করবেন। কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত বার্ষিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন ও সংগঠনের ব্যাংক একাউন্টের হিসাব বিবরণী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালকের দপ্তরে জমা প্রদান করবেন।
ধারা ৬ : সদস্য হবার যোগ্যতা
- বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত দৈনিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীগণ সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন। সদস্যপদের জন্য কমপক্ষে দুইমাস তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত দৈনিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত থাকতে হবে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে কমপক্ষে তিনটি প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদের প্রতিলিপি, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের আইডি কার্ড/ প্রত্যয়নপত্রের সত্যায়িত প্রতিলিপিসহ নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হবে।
- সাধারণ সদস্যরা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণিত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির পর নির্বাহী কমিটি গঠনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
- মাসিক সাধারণ সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নতুন সদস্যপদের জন্য তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং হালনাগাদকৃত তালিকা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের দপ্তরে জমা প্রদান করবেন।
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কেন্দ্রীয় সংগঠন হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিসিপ্লিনের সাংবাদিকতায় আগ্রহী নিয়মিত শিক্ষার্থীগণ উপর্যুক্ত যোগ্যতাপূরণ সাপেক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যপদপ্রাপ্তি ও সকল সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমান সুযোগ লাভ করবে।
ধারা ৭ : সদস্যপদ বাতিল বা স্থগিত
- সংগঠনের কোন সদস্য সাংবাদিকতা ত্যাগ করলে তার সদস্য পদ বাতিল হবে। তবে সাংবাদিকতায় ফিরে এলে পুনরায় সদস্য পদের জন্য আবেদন করতে হবে।
- কোন সদস্যের বিরুদ্ধে সংগঠনের আদর্শ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজে জড়িত থাকার কোন অভিযোগ উত্থাপিত হলে অথবা কোন সদস্যের বিরুদ্ধে দলীয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, চাঁদাবাজি, মাদকদ্রব্য গ্রহণ বা সরবরাহ, নৈতিক স্খলন কিংবা অন্যকোন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে সদস্যপদ বাতিল করা যাবে। এ সংক্রান্ত প্রমাণাদি সংরক্ষণ করা হবে। কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের শৃঙ্খলার স্বার্থে ঐ সদস্যের সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে এবং হালনাগাদকৃত তালিকা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের দপ্তরে জমা প্রদান করবেন।
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কোন সদস্য শাস্তিপ্রাপ্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।
- কোন সদস্য পর পর ৩ (তিন) মাস যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া চাঁদা না দিলে তার সদস্য পদ স্থগিত করা হবে। পদ স্থগিত হওয়ার ২ (দুই) মাসের মধ্যে বকেয়াসহ চাঁদা পরিশোধ করলে সদস্য পদ ফিরে পাবে অন্যথায় তার সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।
- কোন সদস্য যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া সংগঠনের কাজ থেকে বিরত থাকলে বা অবহেলা করলে শৃঙ্খলা উপকমিটি তার সদস্য পদ বাতিলের সুপারিশ করতে পারবে। তবে পদ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদ গ্রহণ করবে এবং তার পূর্বে উক্ত সদস্যকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।
- কোন সদস্য যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া পর পর ৩ (তিন) টি সভায় অনুপস্থিত না থাকলে তার সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে পদ বাতিলের পূর্বে উক্ত সদস্যকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে। সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের পূর্ব অনুমতি ব্যতীত সভা শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যে সভায় উপস্থিত না হলে তাকে অনুপস্থিত ধরা হবে।
- কোন সদস্য স্বেচ্ছায় সংগঠন ত্যাগ করতে চাইলে সভাপতি বরাবর আবেদন করতে হবে।
- স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে ছাত্রজীবন শেষ হওয়ার সাথে সাথে সদস্যদের সদস্যপদ সমাপ্ত হবে।
ধারা ৮ : সহযোগী সদস্য
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল নিয়মিত শিক্ষার্থী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য হওয়ার যোগ্যতা পূরণ করেননি কিন্তু সাংবাদিকতা করেন অথবা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সেসকল শিক্ষার্থী নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণের মাধ্যমে সমিতির সহযোগী সদস্য হতে পারবেন।
- সাপ্তাহিক/পাক্ষিক বা মাসিক সংবাদপত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি/সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীগণ সহযোগী সদস্য হতে পারবেন।
- সহযোগী সদস্যবৃন্দ সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে ভোটাধিকার পাবেন না এবং কোন পদে প্রার্থী হতে পারবেন না।
- কোন সহযোগী সদস্য সাংবাদিকতায় আগ্রহ হারালে, পর পর তিনটি সহযোগী সদস্য সভায় উপস্থিত না হলে বা কোন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা অনলাইন গণমাধ্যমে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা না করলে তার সহযোগী সদস্য পদ বাতিল হবে।
ধারা ৯ : শূন্যস্থান পূরণ
- সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে যেকোনো একটি বা কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্য কোন পদ শূণ্য হলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সদস্যদের মধ্য থেকে একজন উক্ত শূণ্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে উপনির্বাচনের মাধ্যমেও শূণ্যপদ পূরণ করা যাবে।
- সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উভয় পদ শূণ্য হলে পরবর্তী ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন দিতে হবে। এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য যথাক্রমে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন।
ধারা ১০ : কার্যনির্বাহী কমিটি
- সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি থাকবে। কমিটির মেয়াদ হবে এক বছর, যা নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে কার্যকর হবে। কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার এক মাস পূর্বে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের একমাসের মধ্যে নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের পূর্ব পর্যন্ত মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি শুধুমাত্র রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন।
- কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের জন্য গোপন ব্যালটের মাধ্যমে voteগ্রহণ ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষকের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে, যেখানে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ভোটার তালিকা প্রণিত হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করলে তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
- কার্যনির্বাহী কমিটিতে- সভাপতি (১), সহ-সভাপতি (১), সাধারণ সম্পাদক (১), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (১), অর্থ সম্পাদক (১), সাংগঠনিক সম্পাদক (১), দপ্তর সম্পাদক (১), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক (১), এবং কার্যনির্বাহী সদস্য (০৩) থাকবে।
- তবে উল্লিখিত পদের কোন পদ ফাঁকা থাকলে সাধারণ সম্পাদক ওই পদের দায়িত্ব পালন করবেন।
- সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। একইভাবে সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন।
ধারা ১১ : নিবার্হী কমিটির কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
- সভাপতি: সভাপতি সংগঠনের মর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। তিনি সংগঠনকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সভাপতি সংগঠনের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করবেন। এছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতিত্ব করবেন, সাধারণ সভার সভাপতিত্ব করবেন এবং সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
- সহ-সভাপতি: সভাপতির অনুপস্থিতিতে ও পরামর্শক্রমে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- সাধারণ সম্পাদক: সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের নির্বাহী প্রধান। তিনি সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা ও অর্থ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে হিসাব তদারকি করবেন। সভাপতির পরামর্শক্রমে তিনি নির্বাহী কমিটির সভা এবং সাধারণ সভা আহবান করবেন। সংগঠনের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের জন্য সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সদস্য এবং নির্বাহী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। তিনি বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করবেন এবং নির্বাহী কমিটির কর্মকাণ্ডের বিবরণী তুলে ধরবেন। প্রতি মাসে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান করবেন। নির্বাহী সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করবেন।
- যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে ও পরামর্শক্রমে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।
- অর্থ সম্পাদক: অর্থ সম্পাদক সংগঠনের যাবতীয় আয় ও ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন। তিনি সদস্যদের মাসিক চাঁদা ও সদস্য ফি আদায়ের দায়িত্ব পালন করবেন। মাসিক ও বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যৌথভাবে সংগঠনের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করবেন।
- সাংগঠনিক সম্পাদক: সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ, সদস্য বাছাই এবং যাবতীয় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন। সংগঠনের কোন সদস্য কোন প্রকার শৃঙ্খলা লংঘন করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে লিখিত সুপারিশ করবেন এবং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে কারণদর্শানোর নোটিশ প্রদান করবেন। এজন্য কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় তাকে সদস্য সচিব করে একটি সদস্য বাছাই কমিটি এবং শৃঙ্খলা উপ-কমিটি গঠিত হবে। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদকের সকল দাপ্তরিক কাজে সহযোগিতা করবেন।
- দপ্তর সম্পাদক: সংগঠনের কাগজপত্র রক্ষণাবেক্ষণ, চিঠিপত্র ও যোগাযোগ রক্ষা এবং দাপ্তরিক যাবতীয় কর্মকাণ্ড তার অধীনে পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে দপ্তর সম্পাদক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। নির্বাহী সভার কার্যবিবরণী সংরক্ষণ করবেন। অফিস রক্ষণাবেক্ষণের মূল দায়িত্বও তিনি পালন করবেন।
- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: সংগঠনের যাবতীয় প্রচারযোগ্য কার্যকলাপের প্রচার ও প্রকাশনার কার্যক্রম তার অধীনে পরিচালিত হবে। সংগঠন কোন প্রকার প্রকাশনার উদ্যোগ নিলে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এর প্রকাশকের দায়িত্ব পাবেন। তবে এক্ষেত্রে তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করবেন।
- কার্যনির্বাহী সদস্য: কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অংশগ্রহণ করবেন এবং বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দেবেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
ধারা ১২ : কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যক্রম
- কার্যনির্বাহী কমিটি প্রতিমাসে কমপক্ষে একটি সাধারণ সভা করবে। মোট সদস্যের অর্ধেকের বেশি সদস্য উপস্থিত থাকলে সভার কোরাম পূর্ণ হবে।
- সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ সম্পাদক সর্বনিম্ন তিনদিনের নোটিশে কার্যনির্বাহী কমিটির সভা আহবান করতে পারবেন। তবে জরুরী ভিত্তিতে সভার ক্ষেত্রে অল্প সময়ে সভা আহবান করতে পারবে, যা জরুরী সভা হিসেবে বিবেচিত হবে।
- সাধারণ সম্পাদক নির্বাহী কমিটির সভা আহবান না করলে সভাপতি সরাসরি সভা আহবান করতে পারবেন। সভাপতিও সভা আহবানে অসম্মত হলে তিনমাস পর কার্যনির্বাহী কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্যের যৌথ স্বাক্ষরে নির্বাহী কমিটির তলবী সভা আহবান করা যাবে।
- কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন ও কমিটিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। এর ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।